ই পাসপোর্ট করার নিয়ম

ই পাসপোর্ট করার নিয়ম ও খরচ 2024

ই পাসপোর্ট করার নিয়ম ও খরচ এবং ই পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে, ই পাসপোর্ট ফি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, কিভাবে পাসপোর্ট জমা দিবেন এবং ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন করবেন তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন। অনলাইন ডিজিটাল পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্ট করার নিয়ম ও খরচ 2023। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ যেটি ই-পাসপোর্ট চালু করেছে।

দালাল ছাড়া পাসপোর্টের আবেদনের সুবিধার্থে বাংলাদেশ সরকার বিশ্বের ১১৯তম দেশে ই-পাসপোর্ট চালু করেছে। এখন যে কেউ ঘরে বসেই তাদের ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে এর জন্য আপনাকে ই-পাসপোর্টের নিয়মকানুন জানতে হবে।

Table of Contents

ই পাসপোর্ট কি?

ই-পাসপোর্ট হল একটি বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট যাতে একটি এমবেডেড ইলেকট্রনিক মাইক্রোপ্রসেসর চিপ থাকে। ই-পাসপোর্টটি স্মার্ট কার্ড প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি মাইক্রোপ্রসেসর চিপ এবং অ্যান্টেনার সাথে এমবেড করা হয়েছে। এই চিপে, ছবি, আঙুলের ছাপ, আইরিশ ইত্যাদি সহ পাসপোর্টধারীর সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। ই-পাসপোর্ট অনেক বেশি নিরাপদ। ই-পাসপোর্টকে বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট বা ডিজিটাল পাসপোর্টও বলা হয়।

ই পাসপোর্ট করার নিয়ম

ই-পাসপোর্ট করার জন্য www.epassport.gov.bd এ যান এবং আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন তথ্য অনুযায়ী অনলাইনে আবেদন করুন। অ্যাপ্লিকেশনে ব্যক্তিগত তথ্য, ঠিকানা এবং পিতামাতার তথ্য সঠিকভাবে লিখুন। আবেদন জমা দেওয়ার পরে ব্যাঙ্কে গিয়ে পাসপোর্ট ফি জমা দিন। অবশেষে, পাসপোর্ট অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ আবেদনপত্র জমা দিন।

ই পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে?

আমাদের ই পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুলি নিচে তালিকাভুক্ত করা হল-

  • জাতীয় পরিচয় পত্র
  • অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সন
  • পেমেন্ট জমা দেওয়ার রসিদ
  • এ পাসপোর্ট আবেদন কপি
  • বিদ্যুৎ বিলের কপি
  • পিতা মাতার এন আইডি কার্ডের কপি
  • নাগরিক সনদপত্র
  • পেশাজীবী প্রমাণপত্র
  • ছাত্র হলে স্টুডেন্ট আইডি কার্ড

আশা করি আপনার কাছে একটি নতুন পাসপোর্টের আবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুলি রয়েছে। সব কাগজপত্র ঠিক থাকলে ই-পাসপোর্ট জন্য আবেদন করতে পারবেন।

ই পাসপোর্ট ফি

ই-পাসপোর্ট ফি পাসপোর্টে পৃষ্ঠার সংখ্যা, পাসপোর্টের মেয়াদ এবং ডেলিভারি পদ্ধতির উপর নির্ভর করে নির্ধারণ হয়। ই-পাসপোর্টের প্রকারের উপর ভিত্তি করে, ই-পাসপোর্ট ফি সর্বনিম্ন 4025 টাকা থেকে সর্বোচ্চ 13800 টাকা পর্যন্ত।

ই পাসপোর্ট ফি কত ২০২২

৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট খরচ 2023 নীচে  দেওয়া হলো-

৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট খরচঃ

ডেলিভারি ধরন

পেজ মেয়াদ খরচ

রেগুলার

৪৮ ৫ বছর

৪০২৫ টাকা

এক্সপ্রেস ৪৮ ৫ বছর

৬৩২৫ টাকা

সুপার এক্সপ্রেস ৪৮ ৫ বছর

৮৬২৫ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট খরচঃ

ডেলিভারি ধরন

পেজ মেয়াদ

খরচ

রেগুলার

৬৪ ৫ বছর

৬৩২৫ টাকা

এক্সপ্রেস

৬৪ ৫ বছর

৮৬২৫ টাকা

সুপার এক্সপ্রেস

৬৪ ৫ বছর

১২০৭৫ টাকা

৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট খরচ 2023 নীচে  দেওয়া হলো-

৪৮ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট খরচঃ

ডেলিভারি ধরন

পেজ মেয়াদ খরচ

রেগুলার

৪৮ ১০ বছর

৫৭৫০ টাকা

এক্সপ্রেস

৪৮ ১০ বছর

৮০৫০ টাকা

সুপার এক্সপ্রেস ৪৮ ১০ বছর

১০৩৫০ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট খরচঃ

ডেলিভারি ধরন

পেজ মেয়াদ খরচ

রেগুলার

৬৪ ১০ বছর

৮০৫০ টাকা

এক্সপ্রেস

৬৪ ১০ বছর

১০৩৫০ টাকা

সুপার এক্সপ্রেস ৬৪ ১০ বছর

১৩৮০০ টাকা

ই পাসপোর্টের টাকা জমা দেওয়ার নিয়মঃ

ই-পাসপোর্ট আবেদন ফি অফলাইন এবং অনলাইনে জমা দেওয়া যাবে। আপনি বিকাশ, রকেট, নগদ, ব্যাংক কার্ড ব্যবহার করে অনলাইনে অর্থ প্রদান করতে পারেন। অন্যদিকে ই-পাসপোর্ট আবেদনের ফি আদায়কারী ব্যাংকগুলো হলো:

  • সোনালী ব্যাংক
  • রূপালী ব্যাংক
  • জনতা ব্যাংক

আরও পড়ুনঃ ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম

ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন

পাসপোর্টের আবেদনপত্র পূরণ করতে প্রথমে www.epassport.gov.bd ভিজিট করুন। তারপর Apply Online মেনুতে ক্লিক করুন, Regional Office and Police Station নির্বাচন করুন। তারপর ইমেল যাচাইকরণ করুন, আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, পূর্ববর্তী পাসপোর্ট তথ্য, ঠিকানা, পিতামাতার তথ্য এবং জরুরি যোগাযোগের ঠিকানা পূরণ করুন। অবশেষে পাসপোর্ট টাইপ ডেলিভারি মোড নির্বাচন করে আবেদন সম্পূর্ণ করুন এবং প্রিন্ট কপি নিন।

ই-পাসপোর্ট আবেদন করার জন্য প্রথমে আপনাকে জানতে হবে আপনার এলাকায় ই-পাসপোর্ট অফিস আছে কিনা। আপনি যদি উপরের তালিকায় আপনার এলাকার নাম দেখতে পান, তাহলে আমি আপনাকে অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদন করার নিয়ম সম্পর্কে বলি।

১-ধাপঃ পাসপোর্ট অফিস এবং থানা নির্বাচন

প্রথমত অনলাইনে ই পাসপোর্ট আবেদন করার জন্য www.epassport.gov.bd এই ওয়েবসাইটে গিয়ে “Apply Online” ক্লিক করুন। তার পরে আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে আবেদন করতে চান তাহলে YES নির্বাচন করুন, এবং আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ও থানা নির্বাচন করুন।

ই পাসপোর্ট করার নিয়ম

2-ধাপঃ অ্যাকাউন্ট খুলুন

আপনি নিয়মিত ব্যবহার করেন একটি মেইল ইনপুট করুন। আপনার ই-মেইল টি সঠিকভাবে প্রবেশ করানো হলে, “ I’m humm ” বক্সে একটি টিক চিহ্ন দিয়ে নিরাপত্তা ক্যাপচা যাচাই করুন।

ই পাসপোর্ট করার নিয়ম

তারপর আপনাকে পরবর্তী পেজে নিয়ে আসবে। ওখানে অ্যাকাউন্ট খলার একটা ফরম আসবে,, ওই ফরমটা আপনাকে পূরণ করতে হবে,, আপনার ইমেইল এড্রেস,, পাসওয়ার্ড,, পুরো নাম,, গিভ নেম,, সার নেম,, এবং একটি ফোন নাম্বার দিয়ে ই পাসপোর্ট অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে।

ই পাসপোর্ট করার নিয়ম
৩-ধাপঃ ইমেইল ভেরিফিকেশন করুন

আপনি উপরে যে মেইলটি দিবেন সেই মেইলে পাসপোর্ট একাউন্ট একটিভ করার জন্য একটি মেইল পাঠানো হবে। মেলে ক্লিক করে verify URL ক্লিক করলে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হবে।

৪-ধাপঃ লগইন করুন

লগইন করার জন্য আপনার ইমেইল এড্রেস এবং একাউন্ট করার সময় যে পাসওয়ার্ডটি দিয়েছেন সেই পাসওয়ার্ডটি দিয়ে লগইন অপশনে ক্লিক করুন।

৫-ধাপঃ ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করুন

একবার আপনি আপনার অ্যাকাউন্টে লগ ইন করলে, এই পর্যায়ে আপনাকে ই-পাসপোর্ট করতে কি অনলাইন আবেদন ফর্মটি পূরণ করতে হবে। এর জন্য “Apply for a new e-passport” লেখা বাটনে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুনঃ অনলাইনে আয় করার সহজ উপায়

৬-ধাপঃ পাসপোর্টের ধরন নির্বাচন করুন

পাসপোর্টের ধরন সম্পর্কে আমরা সাধারণত দুই ধরনের পাসপোর্ট দেখতে পাই। একটি সাধারণ টাইপের পাসপোর্ট এবং অন্যটি অফিসিয়াল টাইপের পাসপোর্ট।
• Ordinary Passport
• Official Passport

ই পাসপোর্ট করার নিয়ম
একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে, অনলাইনে ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার সময় আমাদের “Ordinary Passport” নির্বাচন করতে হবে।

৭-ধাপঃ ই পাসপোর্ট ফরমে ব্যক্তিগত তথ্য পূরণ করুন

এ পর্যায়ে পাসপোর্ট আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য দিতে হবে। আপনি যদি নিজের জন্য আবেদন করেন, প্রথমে উপরের “আমি আমার জন্য আবেদন করি” শর্তে টিক দিন।

ই পাসপোর্ট করার নিয়ম

আপনি যদি টিক চিহ্নটি দেন, তাহলে আপনি দেখতে পাবেন যে পূর্বে দেওয়া নামটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনপুট হবে। এর লিঙ্গ নির্বাচন করুন এবং বাকি গুলি পূরণ করুন এবং “Save and continue” বোতামে ক্লিক করুন।

৮-ধাপঃ ই পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন

আবেদনকারী আবেদন পত্র বর্তমান ঠিকানা যে জেলা মেট্রোপলিটন পুলিশ এর অধীনে পড়ে সেই জেলাতে পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম পূরণ করে আবেদন করতে হবে। যদি আপনার বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা আলাদা হয়। তাহলে আপনার ঠিকানা আলাদাভাবে পূরণ করতে হবে। দুটি ঠিকানা ভিন্ন হলে উভয় ঠিকানায় পুলিশ ভেরিফিকেশন করা হবে। পুলিশ ভেরিফিকেশন মূলত এই পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করার সময় যে তথ্য দিয়ে থাকেন তা সঠিক কিনা যাচাই করার প্রক্রিয়া।

৯-ধাপঃ পাসপোর্টের তথ্য দিন

আপনার যদি পূর্বের কোনো পাসপোর্ট থাকে (সেটি নিয়মিত পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্ট হোক) তাহলে সেই পাসপোর্টের তথ্য দিতে হবে। যদি আগে আপনার কাছে সাধারন পাসপোর্ট থাকে তাহলে প্রথম অপশনটি নির্বাচন করুন। আপনার কাছে যদি ই পাসপোর্ট থাকে তাহলে দ্বিতীয় অপশনটি নির্বাচন করুন।

ই পাসপোর্ট করার নিয়ম

আর যদি আপানার কাছে পাসপোর্ট না থাকে, প্রথম বারের মত পাসপোর্ট করেন তাহলে প্রথম অপশনটি নির্বাচন করুন।
তারপর পরবর্তী ধাপে যেতে Save and continue বাটনে ক্লিক করুন।

১০-ধাপঃ বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা নির্বাচন

জাতীয় পরিচয়পত্রের পেছনের ঠিকানা অনুযায়ী ঠিকানার তথ্য পূরণ করতে হবে।
ঠিকানা নির্বাচন করার সময় নিম্নলিখিত পয়েন্টগুলি লক্ষ্য করুন:-

  • গ্রামের নাম
  • রোড নাম্বার
  • ডাক ঘর
  • পোষ্ট কোড
  • থানার নাম
  • জেলার নাম

যদি আপনার স্থায়ী এবং বর্তমান ঠিকানা একই হয়, তাহলে ” Present Address same as Permanent” নির্বাচন করুন। তার পর বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানায় একই ঠিকানা সেট হয়ে যাবে।

আপনার জন্যঃ উচ্চ রক্তচাপ কমানোর ঘরোয়া উপায়

১১-ধাপঃ পিতা মাতার তথ্য প্রদান

অনলাইনে ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার জন্য পিতা-মাতার প্রয়োজনীয় সমস্ত তথ্য যেমনঃ

  • পিতার নাম
  • পিতার জাতীয়তা
  • পেশা
  • Nid card number
  • মাতার নাম
  • পিতার জাতীয়তা
  • পেশা
  • Nid card number

ই পাসপোর্ট কত দিনে পাওয়া যায়?

আপনি কত দিন আপনার ই-পাসপোর্ট পাবেন তা নির্ভর করে আপনি যে ধরনের ডেলিভারি পরিষেবা ব্যবহার করছেন তার উপর। আপনি যদি ই-পাসপোর্ট আবেদনের নিয়মগুলি অনুসরণ করেন এবং পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করেন তবে আপনি দেখতে পাবেন যে তিন ধরনের ই-পাসপোর্ট বিতরণ রয়েছে, যেখানে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার নির্দিষ্ট কার্যদিবসের পরে ই-পাসপোর্ট পাওয়া যাবে।

আরও জানুনঃ সেক্সে বৃদ্ধির খাবার কি। সেক্সে বৃদ্ধির ১০ টি প্রধান খাবার সম্পর্কে জানুন

রেগুলার:

রেগুলার পাসপোর্ট ডেলিভারিতে পেতে সাধারণত 15 থেকে 20 দিন সময় লাগে। যদি পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের মতো অন্যান্য জিনিস ঠিক থাকে তবে ই-পাসপোর্ট 15 দিনের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

এক্সপ্রেস:

যারা জরুরি কাজে বিদেশে যাচ্ছেন এবং অল্প সময়ের মধ্যে পাসপোর্ট হাতে পেতে চান তাদের জন্য এক্সপ্রেস ডেলিভারির দেওয়া হয়। সাধারণত ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে জরুরী ভিত্তিতে ই পাসপোর্ট পাওয়া যায়।

সুপার এক্সপ্রেস:

খুব দ্রুত ই পাসপোর্ট পাওয়ার জন্য অনলাইন করা যাবে না. সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারি পেতে পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করুন। সেই সাথে পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হবে। এতে আপনি ২ থেকে ৭ দিন মধ্যে ই পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন।

শেষ কথা:

ই-পাসপোর্ট করার নিয়ম সঠিকভাবে জানা থাকলে কাজগুলো খুব সহজে হয়ে যাবে। না হলে আপনি অনেক ঝামেলায় পড়বেন। তাই ই-পাসপোর্টের আবেদনের নিয়ম সম্পর্কে জানতে হবে। আবেদন করার সময় কোন তথ্য ভুল দেওয়া যাবে না যদি কোন প্রকার ভুল তথ্য দেন তাহলে আপনাকে অনেক হয়রানির শিকার হতে হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

two × 2 =

Scroll to Top